লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্মাণকাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে উভয় পক্ষ। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে হুমায়ুনসহ তাঁর পরিবারের তিনজন এবং অপর পক্ষের তিনজন রয়েছেন। হুমায়ুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পরিবার জানিয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার ৭নং বামনী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাইচা গ্রামের শাহাদুল্লাহ পণ্ডিত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মামলা চলছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও শুক্রবার রাতে সেখানে নির্মাণকাজ শুরু করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে হুমায়ুন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেন। এ সময় বাবলু ও তার পক্ষের লোকজনের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রহমত উল্লাহ বাবলুসহ কয়েকজন হুমায়ুনের ওপর খুন্তি দিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার।
হুমায়ুনের পরিবারের দাবি, হামলায় তাঁর গাল ও হাতে গুরুতর জখম হয়েছে। এ ঘটনায় হুমায়ুনসহ তাঁদের পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক হুমায়ুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার।
অন্যদিকে রহমত উল্লাহ বাবলু পক্ষের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে। এতে তাঁদের পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে বলে ওই পক্ষ জানিয়েছে।
হুমায়ুনের পরিবারের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন পশ্চিম সাইচা গ্রামের শাহাদুল্লাহ পণ্ডিত বাড়ির খোরশেদ আলমের ছেলে রহমত উল্লাহ বাবলু, মোহাব্বত উল্লাহ আপলু ও আপনান সুলতানা পৃথি।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। উভয় পক্ষের অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হারুন/দেশ যুগান্তর